ঢাকা    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

তিন মাস কাদায় আটকে থাকা চার মহিষের দুর্ভোগের অবসান, নতুন ঘর নির্মাণ হচ্ছে

তিন মাস কাদায় আটকে থাকা চার মহিষের দুর্ভোগের অবসান, নতুন ঘর নির্মাণ হচ্ছে

ঝিনাইদহের মহেশপুরে প্রায় তিন মাস ধরে হাঁটু পর্যন্ত কাদা-পানিতে আটকে থাকা চারটি মহিষ অবশেষে শুকনো জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পশুগুলোর জন্য নতুন আশ্রয় তৈরির কাজও শুরু করেছেন তাদের মালিক আবদুল আলিম। উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের আবদুল আলিমের মহিষগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশের জলাবদ্ধ জায়গায় বাঁধা ছিল। স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান বিষয়টি লক্ষ্য করে মহিষগুলোর ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হয়।

গত রোববার ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন সরেজমিনে গিয়ে মহিষগুলোকে কাদা থেকে উদ্ধার করে বাড়ির পাশের উঁচু শুকনো জায়গায় রাখার ব্যবস্থা করেন। এ সময় তিনি আবদুল আলিমের পরিবারের সদস্যদের ১৫ দিনের মধ্যে মহিষগুলোর স্থায়ী ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মহিষগুলো শুকনো জায়গায় রয়েছে এবং তাদের জন্য নতুন ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। মালিক তাদের যথাযথ খাবার ও যত্ন দিচ্ছেন।

আবদুল আলিম জানান, বর্ষার কারণে ও স্থানীয় জমির মালিকদের আপত্তিতে মহিষগুলো বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে পারছিলেন না। আগের ঘরটি বোনের জমিতে থাকায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। এখন বোনের জায়গা কিনে সেখানে নতুন ঘর তৈরি করছেন। মহিষগুলোই তার সংসারের একমাত্র অবলম্বন, যাদের বিক্রি করে তিনি ঋণ পরিশোধের আশা করছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মহিষগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর জন্য নতুন ঘর নির্মাণ শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


তিন মাস কাদায় আটকে থাকা চার মহিষের দুর্ভোগের অবসান, নতুন ঘর নির্মাণ হচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
ঝিনাইদহের মহেশপুরে প্রায় তিন মাস ধরে হাঁটু পর্যন্ত কাদা-পানিতে আটকে থাকা চারটি মহিষ অবশেষে শুকনো জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পশুগুলোর জন্য নতুন আশ্রয় তৈরির কাজও শুরু করেছেন তাদের মালিক আবদুল আলিম। উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের আবদুল আলিমের মহিষগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশের জলাবদ্ধ জায়গায় বাঁধা ছিল। স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান বিষয়টি লক্ষ্য করে মহিষগুলোর ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হয়।গত রোববার ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন সরেজমিনে গিয়ে মহিষগুলোকে কাদা থেকে উদ্ধার করে বাড়ির পাশের উঁচু শুকনো জায়গায় রাখার ব্যবস্থা করেন। এ সময় তিনি আবদুল আলিমের পরিবারের সদস্যদের ১৫ দিনের মধ্যে মহিষগুলোর স্থায়ী ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন।মঙ্গলবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মহিষগুলো শুকনো জায়গায় রয়েছে এবং তাদের জন্য নতুন ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। মালিক তাদের যথাযথ খাবার ও যত্ন দিচ্ছেন।আবদুল আলিম জানান, বর্ষার কারণে ও স্থানীয় জমির মালিকদের আপত্তিতে মহিষগুলো বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে পারছিলেন না। আগের ঘরটি বোনের জমিতে থাকায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। এখন বোনের জায়গা কিনে সেখানে নতুন ঘর তৈরি করছেন। মহিষগুলোই তার সংসারের একমাত্র অবলম্বন, যাদের বিক্রি করে তিনি ঋণ পরিশোধের আশা করছেন।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মহিষগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর জন্য নতুন ঘর নির্মাণ শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা