ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

সৌদি-পাক-তুর্কি সামরিক জোটে বাংলাদেশ যোগদানে ভারতের ‘কৌশলী নীরবতা’

সৌদি-পাক-তুর্কি সামরিক জোটে বাংলাদেশ যোগদানে ভারতের ‘কৌশলী নীরবতা’

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদান বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ভারত। নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। এ মুহূর্তে এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই।

এর আগে ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক জোটে বাংলাদেশ যোগ দিতে পারে—এমন গুঞ্জন নিয়ে ভারতের অবস্থান কী। ওই প্রশ্নের উত্তরে তিনি এমন কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনে তার অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে যে প্রশ্নটি করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমার আপাতত কিছুই বলার নেই। আমার কাছে কোনো আপডেট থাকলে তা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।’

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে রণধীর জয়সোয়াল স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর। তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদী-সম্পর্কিত সব বিষয় যৌথ নদী কমিশনের আওতায় আলোচনা হয়। পাশাপাশি গঙ্গা পানি চুক্তির অধীনে যৌথ কমিটির বৈঠকও কারিগরি পর্যায়ে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন দিল্লি সফর ঘিরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এক ঘণ্টার মধ্যেই তা তড়িঘড়ি প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। এ ঘটনায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জটিলতা আরও প্রকট হয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে সৌদি-পাক-তুর্কি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতের এই ‘কৌশলী নীরবতা’কে দেশটির উদ্বেগের প্রকাশ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


সৌদি-পাক-তুর্কি সামরিক জোটে বাংলাদেশ যোগদানে ভারতের ‘কৌশলী নীরবতা’

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদান বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ভারত। নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। এ মুহূর্তে এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই।এর আগে ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক জোটে বাংলাদেশ যোগ দিতে পারে—এমন গুঞ্জন নিয়ে ভারতের অবস্থান কী। ওই প্রশ্নের উত্তরে তিনি এমন কথা বলেন।ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনে তার অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে যে প্রশ্নটি করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমার আপাতত কিছুই বলার নেই। আমার কাছে কোনো আপডেট থাকলে তা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।’গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে রণধীর জয়সোয়াল স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর। তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদী-সম্পর্কিত সব বিষয় যৌথ নদী কমিশনের আওতায় আলোচনা হয়। পাশাপাশি গঙ্গা পানি চুক্তির অধীনে যৌথ কমিটির বৈঠকও কারিগরি পর্যায়ে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন দিল্লি সফর ঘিরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এক ঘণ্টার মধ্যেই তা তড়িঘড়ি প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। এ ঘটনায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জটিলতা আরও প্রকট হয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে সৌদি-পাক-তুর্কি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতের এই ‘কৌশলী নীরবতা’কে দেশটির উদ্বেগের প্রকাশ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা