ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

যশোর হাসপাতালে সিজারে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

যশোর হাসপাতালে সিজারে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সিজারের আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে শিশুটি জীবিত থাকার তথ্য এবং অস্ত্রোপচারের পর মৃত নবজাতক প্রসবের ঘটনায় চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ খতিয়ে দেখবে কমিটি।

রোববার (২৩ আগস্ট) হাসপাতালে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রবিউল ইসলামকে। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান।

কমিটির সদস্য সচিব ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল বলেন, শনিবার (২২ আগস্ট) তদন্ত কমিটি গঠনের চিঠি হাতে পান তারা। রোববার (২৩ আগস্ট) তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলছে। সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে প্রসবব্যথা নিয়ে যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রায়মানিক গ্রামের সাগর হোসেনের স্ত্রী তাজমিরা (২০) হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিজারের জন্য তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাজমিরা মৃত ছেলে নবজাতকের জন্ম দেন।

নবজাতকের বাবা সাগর হোসেন অভিযোগ করেন, গত ১৫ আগস্ট তাজমিরার আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হলে রিপোর্টে শিশুটি জীবিত থাকার কথা উল্লেখ ছিল। কিন্তু সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে শিশুটির মাথা কেটে যায়। পরে মৃত অবস্থায় নবজাতককে বের করা হয়।

স্বজনদের দাবি, নবজাতকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় তারা চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। এদিকে নবজাতকের বাবা সাগর হোসেন প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


যশোর হাসপাতালে সিজারে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সিজারের আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে শিশুটি জীবিত থাকার তথ্য এবং অস্ত্রোপচারের পর মৃত নবজাতক প্রসবের ঘটনায় চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ খতিয়ে দেখবে কমিটি।রোববার (২৩ আগস্ট) হাসপাতালে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রবিউল ইসলামকে। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান।কমিটির সদস্য সচিব ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল বলেন, শনিবার (২২ আগস্ট) তদন্ত কমিটি গঠনের চিঠি হাতে পান তারা। রোববার (২৩ আগস্ট) তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলছে। সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে প্রসবব্যথা নিয়ে যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রায়মানিক গ্রামের সাগর হোসেনের স্ত্রী তাজমিরা (২০) হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিজারের জন্য তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাজমিরা মৃত ছেলে নবজাতকের জন্ম দেন।নবজাতকের বাবা সাগর হোসেন অভিযোগ করেন, গত ১৫ আগস্ট তাজমিরার আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হলে রিপোর্টে শিশুটি জীবিত থাকার কথা উল্লেখ ছিল। কিন্তু সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে শিশুটির মাথা কেটে যায়। পরে মৃত অবস্থায় নবজাতককে বের করা হয়।স্বজনদের দাবি, নবজাতকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় তারা চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। এদিকে নবজাতকের বাবা সাগর হোসেন প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা