ঢাকা    রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

নতুন প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে চারটি ভাষা দক্ষতার ওপর সমান গুরুত্ব

নতুন প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে চারটি ভাষা দক্ষতার ওপর সমান গুরুত্ব

প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে নতুন করে চারটি মৌলিক ভাষা দক্ষতার ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ঐতিহ্যগতভাবে পড়া ও লেখার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হতো, সেখান থেকে সরে এসে নতুন শিক্ষাক্রমে শ্রবণ ও কথোপকথন দক্ষতার ওপরও বিশেষ নজর দেওয়া হবে।

রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) ‘বাংলাদেশ টিএমটিই (ট্রেইনিং অব মাস্টার ট্রেইনার্স ইন ইংলিশ) সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পড়া ও লেখা নয়, বরং শুনে বোঝার ক্ষমতা, সঠিকভাবে কথা বলা এবং নিজের চিন্তা প্রকাশের দক্ষতা নতুন শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও কার্যক্রমের মাধ্যমে বিকশিত হবে।’

তিনি বলেন, ভাষা দক্ষতা অর্জন শিক্ষার্থীদের বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। প্রাথমিক স্তরে শ্রবণবোধের দক্ষতা বিকাশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শ্রবণ ও অনুশীলন যেকোনো ভাষা আয়ত্তের মূল চাবিকাঠি।

শুধু শিক্ষার হার বাড়ালেই প্রকৃত শিক্ষিত সমাজ গঠন হয় না উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাকে সবার জন্য মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য করে তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাকে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী ও শক্তিশালী নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে ভাষা শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষাদান পদ্ধতির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষা উপকরণ—ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট ও গেমস ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠদান আরও উপভোগ্য করে তোলার জন্য নতুন প্রস্তাব নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (ন্যাপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উপপরিচালক মারিয়া রহমান। শিক্ষাখাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে এই সংস্কার আনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের ভাষা দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন শিক্ষাক্রম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


নতুন প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে চারটি ভাষা দক্ষতার ওপর সমান গুরুত্ব

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে নতুন করে চারটি মৌলিক ভাষা দক্ষতার ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ঐতিহ্যগতভাবে পড়া ও লেখার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হতো, সেখান থেকে সরে এসে নতুন শিক্ষাক্রমে শ্রবণ ও কথোপকথন দক্ষতার ওপরও বিশেষ নজর দেওয়া হবে।রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) ‘বাংলাদেশ টিএমটিই (ট্রেইনিং অব মাস্টার ট্রেইনার্স ইন ইংলিশ) সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পড়া ও লেখা নয়, বরং শুনে বোঝার ক্ষমতা, সঠিকভাবে কথা বলা এবং নিজের চিন্তা প্রকাশের দক্ষতা নতুন শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও কার্যক্রমের মাধ্যমে বিকশিত হবে।’তিনি বলেন, ভাষা দক্ষতা অর্জন শিক্ষার্থীদের বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। প্রাথমিক স্তরে শ্রবণবোধের দক্ষতা বিকাশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শ্রবণ ও অনুশীলন যেকোনো ভাষা আয়ত্তের মূল চাবিকাঠি।শুধু শিক্ষার হার বাড়ালেই প্রকৃত শিক্ষিত সমাজ গঠন হয় না উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাকে সবার জন্য মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য করে তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাকে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী ও শক্তিশালী নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে ভাষা শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।শ্রেণিকক্ষে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষাদান পদ্ধতির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষা উপকরণ—ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট ও গেমস ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠদান আরও উপভোগ্য করে তোলার জন্য নতুন প্রস্তাব নেওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (ন্যাপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উপপরিচালক মারিয়া রহমান। শিক্ষাখাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে এই সংস্কার আনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের ভাষা দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন শিক্ষাক্রম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা