ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ফ্রান্স, কানাডা ও ব্রিটেনের জোরালো সমর্থন, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের রূপরেখা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বকে ম্যাক্রঁর ভর্ৎসনা

গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বকে ম্যাক্রঁর ভর্ৎসনা

নিউইয়র্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ফ্রান্স, কানাডা ও ব্রিটেন। মঙ্গলবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ গাজায় ইসরাইলের চলমান ত্রাণ অবরোধ ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগকে গোটা বিশ্বের জন্য চূড়ান্ত লজ্জা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মার্কিন মধ্যস্থতায় কথিত যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা অব্যাহত রয়েছে। এ খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এপি।

ম্যাক্রঁ তার বক্তব্যে বলেন, এক বছর আগে ফ্রান্সসহ এক ডজন দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। কিন্তু গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞের মুখে বিশ্ব যদি নিষ্ক্রিয় বসে থাকে, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা অবশিষ্ট থাকে না। তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পরও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর কোনো পথ খুলে দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিশ্ববাসী কি এই নির্লজ্জ দৃশ্য কেবল চেয়ে চেয়ে দেখবে? অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি সতর্ক করেন, প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ইসরাইল কখনই স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না।

অধিবেশনের ফাঁকে ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা ও সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বিশ্বনেতাদের সতর্ক করে বলেন, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি কেবল মুখের কথায় সীমাবদ্ধ রাখলে রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর মানুষের আর কোনো আস্থা থাকবে না। ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড খণ্ডবিখণ্ড করার অপচেষ্টা হিসেবে পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর ব্রিটেন ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বকে ম্যাক্রঁর ভর্ৎসনা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নিউইয়র্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ফ্রান্স, কানাডা ও ব্রিটেন। মঙ্গলবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ গাজায় ইসরাইলের চলমান ত্রাণ অবরোধ ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগকে গোটা বিশ্বের জন্য চূড়ান্ত লজ্জা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মার্কিন মধ্যস্থতায় কথিত যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা অব্যাহত রয়েছে। এ খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এপি।ম্যাক্রঁ তার বক্তব্যে বলেন, এক বছর আগে ফ্রান্সসহ এক ডজন দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। কিন্তু গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞের মুখে বিশ্ব যদি নিষ্ক্রিয় বসে থাকে, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা অবশিষ্ট থাকে না। তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পরও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর কোনো পথ খুলে দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিশ্ববাসী কি এই নির্লজ্জ দৃশ্য কেবল চেয়ে চেয়ে দেখবে? অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি সতর্ক করেন, প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ইসরাইল কখনই স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না।অধিবেশনের ফাঁকে ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা ও সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বিশ্বনেতাদের সতর্ক করে বলেন, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি কেবল মুখের কথায় সীমাবদ্ধ রাখলে রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর মানুষের আর কোনো আস্থা থাকবে না। ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড খণ্ডবিখণ্ড করার অপচেষ্টা হিসেবে পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর ব্রিটেন ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বলে জানান তিনি।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা