জনপ্রিয় স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাপল অবশেষে বাজারে আনতে যাচ্ছে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এটি হবে অ্যাপলের বর্তমান লাইনআপের সবচেয়ে সস্তা আইফোন মডেল। নতুন এই ফোনটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ১১ মার্চ থেকে পাওয়া যাবে।
অ্যাপল সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই মডেলটিতে থাকছে অত্যাধুনিক প্রসেসর ও উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম, যা দাম কম হলেও গুণগত মানে কোনো আপস করেনি প্রতিষ্ঠানটি। দাম কমানোর জন্য ফোনটির ডিজাইন ও কিছু ফিচারে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে অ্যাপলের সিগনেচার কোয়ালিটি ও সফটওয়্যার সাপোর্ট অটুট রাখা হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাপলের উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক ক্রেতা আইফোন কেনা থেকে বিরত থাকতেন। নতুন এই সাশ্রয়ী মূল্যের মডেল তাদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশে আইফোনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তরুণ প্রজন্ম ও পেশাজীবীদের মধ্যে আইফোন ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে উচ্চ মূল্যের কারণে অনেকেই আইফোন কেনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না। নতুন এই সাশ্রয়ী মডেল বাংলাদেশের বাজারে আইফোনের বিক্রিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর একটি মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জানান, "অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য খুবই ভালো খবর। আমরা ইতিমধ্যে অনেক ক্রেতার কাছ থেকে নতুন মডেলটি নিয়ে আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। আশা করছি, ১১ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হলে ব্যাপক সাড়া পড়বে।"
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল মূলত বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেই এই সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন আনছে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে এবং নতুন ক্রেতা তৈরি করতেই এই উদ্যোগ। তবে দাম কমিয়ে অ্যাপল তার প্রিমিয়াম ইমেজে কোনো আপস করেনি বলেও তারা মনে করছেন।
নতুন এই আইফোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও দাম জানতে আগ্রহী ক্রেতারা অ্যাপলের বাংলাদেশের অথরাইজড রিসেলার ও নিজ নিজ অপারেটরের শোরুমে যোগাযোগ করতে পারেন। ১১ মার্চ থেকে শুরু হবে এই ফোনের আনুষ্ঠানিক বিক্রি।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন