ঢাকা    শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
গণবার্তা

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক সই

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক সই

জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এতে স্বাক্ষর করেন। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কেন এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এ সময়ে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দূতাবাস জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সহায়তা করবে। এটি সাশ্রয়ী মূল্য ও সাপ্লাই চেইনের টেকসইতার ভিত্তিতে জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে সহায়তা করবে এবং দুই দেশের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করবে।

চুক্তির আওতায় কী থাকছে

চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং গবেষণা সহজ হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বাংলাদেশে আমদানির ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে।

নেতাদের প্রতিক্রিয়া

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান ড. খলিলুর রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image
জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এতে স্বাক্ষর করেন। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।কেন এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণমধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এ সময়ে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দূতাবাস জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সহায়তা করবে। এটি সাশ্রয়ী মূল্য ও সাপ্লাই চেইনের টেকসইতার ভিত্তিতে জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে সহায়তা করবে এবং দুই দেশের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করবে।চুক্তির আওতায় কী থাকছেচুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং গবেষণা সহজ হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বাংলাদেশে আমদানির ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে।নেতাদের প্রতিক্রিয়াঅনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান ড. খলিলুর রহমান।যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা