ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
গণবার্তা

২৪–৪৮ ঘণ্টায় ইরানে হামলার আশঙ্কা: বিশ্লেষকের সতর্কবার্তা

২৪–৪৮ ঘণ্টায় ইরানে হামলার আশঙ্কা: বিশ্লেষকের সতর্কবার্তা

কাতারের দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিসের মিডিয়া স্টাডিস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।

অধ্যাপক এলমাসরির মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রশাসনের কয়েকজন উগ্রপন্থী কর্মকর্তার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হচ্ছেন। এই চাপই তাকে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন, ট্রাম্প ইরানের কাছ থেকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ আশা করেছিলেন, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। চলমান আলোচনাও তার প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি। পাশাপাশি, সম্প্রতি চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পের উচ্চাশা পূরণ না হওয়ায় রাজনৈতিক হতাশা আরও বেড়েছে।


এলমাসরির মতে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধ বন্ধ করাই ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ হতো। তবে তিনি মনে করেন, ট্রাম্প এখন পিছু হটবেন না, কারণ যুদ্ধ থামালে জনগণের কাছে ‘বিজয় ঘোষণা’ করার মতো কোনো শক্তিশালী যুক্তি তার হাতে থাকবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে— উত্তেজনা প্রশমিত হবে নাকি আরও ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


২৪–৪৮ ঘণ্টায় ইরানে হামলার আশঙ্কা: বিশ্লেষকের সতর্কবার্তা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image
কাতারের দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিসের মিডিয়া স্টাডিস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।অধ্যাপক এলমাসরির মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রশাসনের কয়েকজন উগ্রপন্থী কর্মকর্তার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হচ্ছেন। এই চাপই তাকে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন, ট্রাম্প ইরানের কাছ থেকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ আশা করেছিলেন, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। চলমান আলোচনাও তার প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি। পাশাপাশি, সম্প্রতি চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পের উচ্চাশা পূরণ না হওয়ায় রাজনৈতিক হতাশা আরও বেড়েছে।এলমাসরির মতে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধ বন্ধ করাই ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ হতো। তবে তিনি মনে করেন, ট্রাম্প এখন পিছু হটবেন না, কারণ যুদ্ধ থামালে জনগণের কাছে ‘বিজয় ঘোষণা’ করার মতো কোনো শক্তিশালী যুক্তি তার হাতে থাকবে না।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে— উত্তেজনা প্রশমিত হবে নাকি আরও ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা