ঢাকা    শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
গণবার্তা

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করছে সরকার

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করছে সরকার

জাতীয় শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে মোট আটটি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মকে ডিভাইস আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ-সবল জাতি গঠন করা।

৮টি খেলা বাধ্যতামূলক
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, মার্শাল আর্ট/ভলিবল, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা এবং সাঁতার— এই মোট ৮টি খেলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন
প্রাথমিক সুপারিশ ও বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ জুনের মধ্যে কমিটিকে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনাসহ প্রাথমিক সুপারিশ দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা
গত ৬ মে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ক্রীড়া শিক্ষক ও অফিসার নিয়োগ
এই বিশাল কার্যক্রম সফল করতে প্রতিটি উপজেলায় ৮টি ইভেন্টের প্রতিটির জন্য ৩ জন করে সারা দেশে মোট ১১ হাজার ৮৮০টি পদে বিষয়ভিত্তিক ক্রীড়া শিক্ষক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৪৯৫ জন উপজেলা ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

শিক্ষাক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্রীড়া চর্চার সুযোগ পাবে। এটি যেমন শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে, তেমনি ডিভাইস আসক্তি ও মাদকের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখবে। ১১ হাজার ৮৮০ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা মহৎ। এখন বাস্তবায়ন ও সঠিক মনিটরিংয়ে সরকারের ভূমিই নির্ধারণ করবে এই উদ্যোগের সাফল্য।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করছে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image
জাতীয় শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে মোট আটটি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মকে ডিভাইস আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ-সবল জাতি গঠন করা।৮টি খেলা বাধ্যতামূলকসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, মার্শাল আর্ট/ভলিবল, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা এবং সাঁতার— এই মোট ৮টি খেলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনপ্রাথমিক সুপারিশ ও বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ জুনের মধ্যে কমিটিকে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনাসহ প্রাথমিক সুপারিশ দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আন্তঃমন্ত্রণালয় সভাগত ৬ মে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ক্রীড়া শিক্ষক ও অফিসার নিয়োগএই বিশাল কার্যক্রম সফল করতে প্রতিটি উপজেলায় ৮টি ইভেন্টের প্রতিটির জন্য ৩ জন করে সারা দেশে মোট ১১ হাজার ৮৮০টি পদে বিষয়ভিত্তিক ক্রীড়া শিক্ষক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৪৯৫ জন উপজেলা ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।শিক্ষাক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্রীড়া চর্চার সুযোগ পাবে। এটি যেমন শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে, তেমনি ডিভাইস আসক্তি ও মাদকের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখবে। ১১ হাজার ৮৮০ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা মহৎ। এখন বাস্তবায়ন ও সঠিক মনিটরিংয়ে সরকারের ভূমিই নির্ধারণ করবে এই উদ্যোগের সাফল্য।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা