ঢাকা    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ঢাকা    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
গণবার্তা

ফেনিতে গৃহবধূকে হত্যার পর নির্মানাধীন ঘরের মেঝেতে বালুচাপা মরদেহ উদ্ধার

ফেনিতে গৃহবধূকে হত্যার পর নির্মানাধীন ঘরের মেঝেতে বালুচাপা মরদেহ উদ্ধার

ফেনী সদর উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন নতুন ভবন থেকে রিনা বেগম (৩৮) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় শর্শদী ইউনিয়নের পশ্চিম জের কাছাড় (চোছনা) গ্রামে ঘরের মেঝেতে স্তূপ করে রাখা বালুর নিচ থেকে মরদেহটি পাওয়া যায়। নিহত রিনা বেগম স্থানীয় মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তার স্বামী বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত নারী সন্তানদের নিয়ে স্বামীর কেনা জমির পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওই জমিতে নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে নির্মাণাধীন ভবনের একটি কক্ষে বালুর স্তূপে সন্দেহ হলে তা সরিয়ে মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, এ ঘটনায় রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম অথবা নিহত নারীর বড় ছেলে জড়িত থাকতে পারে। তারা দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে শ্রমিক সাইফুল ইসলাম পলাতক। নিহতের ছেলে রাজু জানান, সন্ধান করতে গিয়ে তিনি সাইফুলকে কাজ করতে দেখেন, কিন্তু তার মায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল অস্বীকার করেন। পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বালুর নিচে মরদেহ পাওয়া যায়।

ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, স্থানীয়দের খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে।

এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


ফেনিতে গৃহবধূকে হত্যার পর নির্মানাধীন ঘরের মেঝেতে বালুচাপা মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image
ফেনী সদর উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন নতুন ভবন থেকে রিনা বেগম (৩৮) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় শর্শদী ইউনিয়নের পশ্চিম জের কাছাড় (চোছনা) গ্রামে ঘরের মেঝেতে স্তূপ করে রাখা বালুর নিচ থেকে মরদেহটি পাওয়া যায়। নিহত রিনা বেগম স্থানীয় মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তার স্বামী বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত নারী সন্তানদের নিয়ে স্বামীর কেনা জমির পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওই জমিতে নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে নির্মাণাধীন ভবনের একটি কক্ষে বালুর স্তূপে সন্দেহ হলে তা সরিয়ে মরদেহ পাওয়া যায়।স্থানীয়রা ধারণা করছেন, এ ঘটনায় রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম অথবা নিহত নারীর বড় ছেলে জড়িত থাকতে পারে। তারা দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে শ্রমিক সাইফুল ইসলাম পলাতক। নিহতের ছেলে রাজু জানান, সন্ধান করতে গিয়ে তিনি সাইফুলকে কাজ করতে দেখেন, কিন্তু তার মায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল অস্বীকার করেন। পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বালুর নিচে মরদেহ পাওয়া যায়।ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, স্থানীয়দের খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে।এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা