ঢাকা    মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
গণবার্তা

কাপাসিয়ায় পাঁচ হত্যার ফরেনসিক প্রতিবেদন: চারজনের গলা কেটে, এক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

কাপাসিয়ায় পাঁচ হত্যার ফরেনসিক প্রতিবেদন: চারজনের গলা কেটে, এক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচ মরদেহের ফরেনসিক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা শারমিন খানমসহ চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আর এক শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক এ তথ্য জানান।

ফরেনসিক প্রতিবেদনে যুক্ত তথ্য

ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এসেছে—নিহত শারমিন খানম, তার ভাই রসুল মোল্লা, মেয়ে মিম ও মারিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে গলা কেটে। অপর একটি শিশুকন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ড ঘটানোর আগে তাদের চেতনানাশক বা অন্য কিছু খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল কিনা, তা জানতে পেটের খাবারসহ অন্যান্য উপাদানের নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ল্যাবের রিপোর্ট পেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো যাবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

পলাতক স্বামী ফোরকান প্রধান আসামি

কাপাসিয়া থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশের একাধিক টিম অভিযুক্ত ফোরকানকে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।

এ ঘটনায় আটক দুজন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে রয়েছে। তদন্ত চলছে, মূল অভিযুক্ত ফোরকানকে গ্রেপ্তার করা হলে এ মামলার রহস্য উন্মোচন করা যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

ঘটনার বিবরণ

গত শুক্রবার (৮ মে) রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে গৃহকর্তা মো. ফোরকান পলাতক রয়েছেন। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), তাঁর ভাই রসুল মোল্লা (২২) ও তাঁর তিন মেয়ে—মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


কাপাসিয়ায় পাঁচ হত্যার ফরেনসিক প্রতিবেদন: চারজনের গলা কেটে, এক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচ মরদেহের ফরেনসিক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা শারমিন খানমসহ চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আর এক শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।সোমবার (১১ মে) গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক এ তথ্য জানান।ফরেনসিক প্রতিবেদনে যুক্ত তথ্যময়নাতদন্তে বেরিয়ে এসেছে—নিহত শারমিন খানম, তার ভাই রসুল মোল্লা, মেয়ে মিম ও মারিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে গলা কেটে। অপর একটি শিশুকন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।হত্যাকাণ্ড ঘটানোর আগে তাদের চেতনানাশক বা অন্য কিছু খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল কিনা, তা জানতে পেটের খাবারসহ অন্যান্য উপাদানের নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ল্যাবের রিপোর্ট পেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো যাবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।পলাতক স্বামী ফোরকান প্রধান আসামিকাপাসিয়া থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশের একাধিক টিম অভিযুক্ত ফোরকানকে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।এ ঘটনায় আটক দুজন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে রয়েছে। তদন্ত চলছে, মূল অভিযুক্ত ফোরকানকে গ্রেপ্তার করা হলে এ মামলার রহস্য উন্মোচন করা যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।ঘটনার বিবরণগত শুক্রবার (৮ মে) রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে গৃহকর্তা মো. ফোরকান পলাতক রয়েছেন। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), তাঁর ভাই রসুল মোল্লা (২২) ও তাঁর তিন মেয়ে—মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা