বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে স্প্যানিশরা। শুধু তাই নয়, অনন্য এক রেকর্ডও গড়েছে স্প্যানিশরা। পর্তুগালের বিপক্ষে কোনো গোল হজম করেনি স্পেন। এটি ছিল বিশ্বকাপে টানা ষষ্ঠ ম্যাচ, যেখানে স্পেন কোনো গোল হজম করেনি। এবারের আসরে গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দে, উরুগুয়ে ও সৌদি আরব, শেষ বত্রিশে অস্ট্রিয়া এবং শেষ ষোলোয় পর্তুগাল তাদের জালে বল পাঠাতে পারেনি। সর্বশেষ ২০২২ বিশ্বকাপে খেলা সর্বশেষ ম্যাচেও মরক্কোর বিপক্ষে ক্লিনশিট রেখেছিল স্পেন (শেষে টাইব্রেকারে হেরেছিল)। সব মিলিয়ে টানা ৬ ম্যাচ ও ১০ ঘণ্টা ৯ মিনিট ধরে স্পেন বিশ্বকাপে গোল হজম করেনি। এমন কীর্তি আর কারও নেই।
পর্তুগাল ম্যাচে স্পেনের রক্ষণভাগের এই দৃঢ়তা শুধু তাদের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে দেয়নি, বরং বিশ্বকাপের পাতায় নিজেদের নাম খোদাই করে দিল এক অনন্য উচ্চতায়। স্পেনের এই প্রতিরক্ষা শক্তি ও গোলরক্ষক উনাই সিমনের অসাধারণ পারফরম্যান্স এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ৪৮তম মিনিটে। ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাস থেকে ডি বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে গোল করেন আলভারো মোরাতা। এই গোলটি স্পেনকে এগিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তারা এই লিড ধরে রাখে। পর্তুগাল সমতা ফেরানোর জন্য বেশ কয়েকটি আক্রমণ করলেও স্পেনের রক্ষণ তাদের কোনো সুযোগ দেয়নি। বিশেষ করে শেষ দিকে রোনালদোর একটি শট স্পেনের গোলরক্ষক সিমন অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন। ম্যাচ শেষে স্পেন কোচ লুইস এনরিকে বলেন, ‘এটি একটি অসাধারণ সাফল্য। আমাদের রক্ষণভাগ দারুণ খেলেছে। টানা ৬ ম্যাচ ক্লিনশিট রাখা অবিশ্বাস্য। আমরা এই রেকর্ডে গর্বিত, কিন্তু আমাদের লক্ষ্য আরও বড়।’ অন্যদিকে পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘আমরা হতাশ। কিন্তু স্পেন আজ ছিল দারুণ। তাদের রক্ষণকে হারানো খুব কঠিন ছিল। আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি।’ ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন গোলদাতা আলভারো মোরাতা। স্পেন এখন কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে নরওয়ে ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের সঙ্গে। স্পেনের এই রক্ষণ দৃঢ়তা তাদের শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জেতার। তাদের পারফরম্যান্স সেটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফুটবল বিশ্ব এখন স্পেনের দিকে তাকিয়ে। তারা কি পারে? এই প্রশ্নের উত্তর মাঠেই মিলবে। আগামী ম্যাচগুলো হবে আরও কঠিন। কিন্তু স্পেনের এই ফর্ম ধরে রাখতে পারলে তারা শিরোপার দাবিদার। এখন সবাই অপেক্ষায় রয়েছে তাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী দিনগুলো থাকবে উত্তেজনায় ভরপুর। স্পেনের এই জয় তাদের জন্য একটি বড় প্রেরণা। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে শিরোপার। পর্তুগালের বিদায় হলেও তারা লড়াই করে সম্মান ধরে রেখেছে। স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তারা প্রস্তুত। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে। ফুটবল বিশ্ব এই দলের প্রতি নজর রাখবে। স্পেন কি ইতিহাস গড়তে পারে? সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার অপেক্ষা। আগামী ম্যাচগুলোতে তারা কেমন খেলে, সেটাই দেখার বিষয়। স্পেনের সমর্থকরা স্বপ্ন দেখছেন। তারা চান তাদের দল শিরোপা জিতুক। এই জয় তাদের স্বপ্নকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। এখন সময় বলবে, স্পেন কতদূর এগোতে পারে। তবে এই মুহূর্তে তারা তাদের সাফল্য উপভোগ করছে। স্পেন জয়ী হয়েছে, এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জয়। তারা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখানে তারা আরও ভালো খেলতে চাইবে। ফুটবল বিশ্ব এই দলের প্রতি নজর রাখবে। স্পেনের এই জয় তাদের সমর্থকদের জন্য একটি বড় উপহার। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে। স্পেনের খেলোয়াড়রা তাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা শিরোপা জিততে পারে। আগামী ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে বলে আশা করা যায়। স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তারা লড়াই করবে। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী দিনগুলো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। স্পেনের এই জয় তাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে আরও বড় কিছু করার। স্পেনের এই জয় তাদের সমর্থকদের জন্য একটি বড় আনন্দের সংবাদ। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে শিরোপা জয়ের। স্পেনের খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা বিশ্বসেরা হতে পারে। এখন অপেক্ষা পরবর্তী ম্যাচের। সেখানে তারা কী করে, সেটাই দেখার বিষয়। তবে এই মুহূর্তে তারা তাদের বিজয় উদযাপন করছে। স্পেন জয়ী হয়েছে, এবং এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয় তাদের জন্য একটি বড় অর্জন। তারা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখানে তারা আরও ভালো খেলতে চাইবে। ফুটবল বিশ্ব এই দলের প্রতি নজর রাখবে। স্পেনের এই জয় তাদের সমর্থকদের জন্য একটি বড় উপহার। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে। স্পেনের খেলোয়াড়রা তাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা শিরোপা জিততে পারে। আগামী ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে বলে আশা করা যায়। স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তারা লড়াই করবে। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী দিনগুলো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। স্পেনের এই জয় তাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে আরও বড় কিছু করার।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন