গণবার্তা

জাপানের ইওয়াতে অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, তিন হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

জাপানের ইওয়াতে অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, তিন হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

জাপানের উত্তরের ইওয়াতে অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলের গ্রাসে পড়েছে প্রায় দুই হাজার একর বনভূমি। টানা চার দিনের প্রচেষ্টাতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আগুনের লেলিহান শিখা ওতসুচি শহরের আবাসিক এলাকার সন্নিকটে পৌঁছে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি দমকল কর্মী দিনরাত কাজ করছেন। স্থানীয় বাহিনীর পাশাপাশি টোকিওসহ আরও পাঁচটি অঞ্চল থেকে অভিজ্ঞ উদ্ধারকারী দল এই অভিযানে যোগ দিয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাগুলো দুর্গম হওয়ায় আগুন নেভাতে জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সের হেলিকপ্টার থেকে পানি ছিটানো হচ্ছে।

জাপানের ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত তৃতীয় বৃহত্তম দাবানলের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পনেরো বছর আগে ভয়াবহ সুনামিতে ঘরবাড়ি হারানো স্থানীয় বাসিন্দারা আবারও নিজেদের সম্পদ হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। দুর্যোগের মুখে পড়া অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ দূরে মুরিওকা শহরে পাড়ি জমিয়েছেন। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আবাসিক স্থাপনা আগুনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিকট ভবিষ্যতে অঞ্চলটিতে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, যা আগুন নেভানোর প্রচেষ্টাকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে। দমকল বাহিনীর আশঙ্কা, বাতাসের গতিবেগ যদি বৃদ্ধি পায় তবে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে আগুনের বিস্তার ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


জাপানের ইওয়াতে অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, তিন হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
জাপানের উত্তরের ইওয়াতে অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলের গ্রাসে পড়েছে প্রায় দুই হাজার একর বনভূমি। টানা চার দিনের প্রচেষ্টাতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আগুনের লেলিহান শিখা ওতসুচি শহরের আবাসিক এলাকার সন্নিকটে পৌঁছে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি দমকল কর্মী দিনরাত কাজ করছেন। স্থানীয় বাহিনীর পাশাপাশি টোকিওসহ আরও পাঁচটি অঞ্চল থেকে অভিজ্ঞ উদ্ধারকারী দল এই অভিযানে যোগ দিয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাগুলো দুর্গম হওয়ায় আগুন নেভাতে জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সের হেলিকপ্টার থেকে পানি ছিটানো হচ্ছে।জাপানের ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত তৃতীয় বৃহত্তম দাবানলের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পনেরো বছর আগে ভয়াবহ সুনামিতে ঘরবাড়ি হারানো স্থানীয় বাসিন্দারা আবারও নিজেদের সম্পদ হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। দুর্যোগের মুখে পড়া অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ দূরে মুরিওকা শহরে পাড়ি জমিয়েছেন। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আবাসিক স্থাপনা আগুনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিকট ভবিষ্যতে অঞ্চলটিতে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, যা আগুন নেভানোর প্রচেষ্টাকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে। দমকল বাহিনীর আশঙ্কা, বাতাসের গতিবেগ যদি বৃদ্ধি পায় তবে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে আগুনের বিস্তার ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা